চট্টগ্রাম, , সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯

ফটিকছড়িতে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

প্রকাশ: ২০১৯-০৭-১২ ১৬:৫৫:৩৯ || আপডেট: ২০১৯-০৭-১২ ১৬:৫৫:৩৯

কয়েকদিনের টানা বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে বন্যা দেখা দিয়েছে।

হালদা,ধুরুং,সর্তা,লেলাং গজারিয়াসহ বিভিন্ন খালের পানি বিপদ সীমার উপর দদিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।এতে পানিবন্দি হয়ে আছে উপজেলার প্রায় হাজারো মানুষ। সেই সাথে পানিতে ভেসে গেছে বিভিন্ন এলাকায় অবস্থিত মৎস্য প্রকল্প ও মুরগীর খামার।

এছাড়াও পানিতে তলিয়ে গেছে ফসলের ক্ষেত, আউশ ধানের বীজতলা। কাঁচা, পাকা, আধাপাকা রাস্তাসহ গ্রামীণ সড়কগুলো পানিতে ডুবে যাওয়ায় যানবাহন ও জনচলাচলে দূর্ভোগের সৃষ্টি হচ্ছে।

এদিকে উপজেলার নাজিরহাট-কাজিরহাট সড়ক, গহিরা-ফটিকছড়ি সড়ক কয়েকফুট পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলের কারণে হালদা ও ধুরুং নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় শংকায় দিন কাটাচ্ছে মানুষ।

জানা যায়, ভারি বর্ষণে পানি বৃদ্ধির ফলে সুন্দরপুর, সমিতিরহাট, ভূজপুর, লেলাং, নারায়ণহাট, দাঁতমারা, হারুয়ালছড়ি, পাইন্দং, রোসাংগিরী নানুপুর সহ বিভিন্ন ইউনিয়নের হাজারো মানুষ পানিবন্দি হয়ে জীবন যাপন করছে।

এসব ইউনিয়নের অনেক কাঁচা সড়ক ধসে যাওযায় মানুষের চলাচলের বিঘ্ন ঘটছে বলে এলাকাবাসী জানান।

এদিকে উপজেলার পানি বন্দি মানুষেরে জন্য জরুরী ত্রাণ সহায়তা দিছে জেলা প্রশাসন। এসব ত্রাণ বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার সুন্দরপুর ও পাইন্দং ইউনিয়নে বিতরণ করেছে উপজেলা প্রশাসন।

অপরদিকে, সুন্দরপুর, পাইন্দং,ভূজপুর,নারায়ণহাট ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শনে করেন- উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সায়েদুল আরেফিন ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হোসাইন মোহাম্মদ আবু তৈয়ব। এসময় মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জেবুন্নাহার মুক্তাসহ প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হোসাইন মোহাম্মদ আবু তৈয়ব বলেন,বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি হবে। এতে লাখো মানুষের দূর্ভোগ বাড়বে।
ইতোমধ্যে যেসব এলাকার মানুষ পানিবন্দি রয়েছে, সেসব এলাকায় আমরা সার্বক্ষণিক খবরাখবর রাখছি এবং যে কোন পরস্থিতিতে আমরা মানুষের পাশে থেকে সহায়তা করে যাব।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সায়েদুল আরেফিন বলেন, ফটিকছড়িতে ৩ হাজারেরও বেশী পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় আছে। জেলা প্রশাসন হতে জরুরীভাবে আমরা ৫০০ কেজি ত্রাণ সহায়তা পেয়েছি। এসব ত্রাণ ইউপি চেয়ারম্যানদের সাথে যোগাযোগ করে পানিবন্দি এলাকার মানুষের মাঝে বিতরণ করা হচ্ছে।
এছাড়া ক্ষয়ক্ষতির পরমিাণ ও সার্বিক পরিস্থিতি জানাতে ইউপি চেয়ারম্যানদের বলা হয়েছে।

Leave a Reply

ক্যালেন্ডার এবং আর্কাইভ

July 2019
S M T W T F S
« Jun   Aug »
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  
%d bloggers like this: