চট্টগ্রাম, , বুধবার, ২২ আগস্ট ২০১৮

কর্নফুলি বাঁচলে চট্টগ্রাম বাঁচবে…

প্রকাশ: ২০১৮-০৬-১২ ১৭:৪২:৫২ || আপডেট: ২০১৮-০৬-১২ ১৭:৪২:৫২

কর্নফুলি বাঁচলে চট্টগ্রাম বাঁচবে।কর্নফুলি দখলমুক্ত করলে চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতার নিরসন হবে।

মহিউদ্দিন চৌধুরী আন্দোলন করেছিলেন খালেদা জিয়ার পিলার সেতু নির্মাণের বিরুদ্ধে।সবাই ঠাট্টা করেছিলেন,বলেছিলেন রাজনৈতিক বিরোধিতা,সেই থেকে শুরু।

২০১১ সালে যখন তার কথা সত্য হলো,কর্নফুলি রুক্ষ হয়ে ভরাট হলো।তখন শেখ হাসিনা সরকার শত কোটি টাকা
ড্রেজিং এর জন্য বরাদ্দ করলেন চট্টলাবাসীকে বাঁচাতে।কিন্তু ড্রেজিংয়ের টাকা এবার জলে গেলো।বীর মহিউদ্দিন আবারো রাস্তায় নামলেন।একশ্রেনীর লোক তার প্রতিবাদকে দলীয় কোন্দলের আন্দোলন দাবী করলো।

পরের ইতিহাস শুনুন,
নদীর উত্তর তীরে প্রায় ১ কিলোমিটার নদীর প্রস্থ ভরাট করে তৈরি করা হয়েছে বন্দরে লাইটারেজ বার্থিং জেটি। ফিশারিঘাটের মাছের আড়ত বিলীন করতে নদী দখল করে করা হয় বিশাল মাছের আড়ত।অবৈধ বস্তি। মার্কেট। সড়ক। আরো কত কি! এভাবে নদী দখল হচ্ছে প্রতিদিন। কমছে নদীর নাব্যতা। কমছে পানির ধারণ ক্ষমতা। চট্টগ্রাম নগরে বাড়ছে জলাবদ্ধতা।


বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবারো মেগা প্রকল্প গ্রহন করে সিডিএ এর অধীনে ৬ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন করেছে।কাজ তদারকির দায়িত্ব দিয়েছেন সেনাবাহিনীকে।নগরীর ভেতর যে অর্ধশতাধিক খাল দিয়ে পানি কর্নফুলিতে পৌঁছাতো,সেই খালগুলো দখলমুক্ত হচ্ছে।প্রতিটি খাল থেকে ১৫-২০ ফুট মাটি খনন করা হচ্ছে।খালগুলোও দখলে ছিলো যা দখলমুক্ত হচ্ছে।এই খালগুলো পুরাপুরি আগেররুপে ফিরে এলে পানি অতিদ্রুত কর্নফুলিতে নেমে যাবে।

কিন্তু প্রশ্নটা রয়ে গেলো।
অত্যাচার নির্যাতনে ক্ষত ক্ষতবিক্ষত কর্নফুলি নদী কি ৮০ লাখ মানুষের নগরী থেকে ছুটে আসা এতো জলস্রোত বুকে ঠাঁই দিতে পারবে???

সবাই তো সমস্যার কথা বলছি।সমাধানের কথা বলা মহিউদ্দিন চৌধুরীর কথাকে সেদিন বিদ্রুপ করেছি রাজনৈতিক বক্তব্য হিসাবে উপহাসের মাধ্যমে।আজ তিনিও নেই।
প্রধানমন্ত্রী হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিলেও সমাধান কি?চোখে আঙ্গুল দিয়ে তিনি বলেছিলেন,কর্নফুলি ড্রেজিংসহ নদী দখলমুক্ত করার কথা।

আসুন সমস্বরে কর্নফুলি বাঁচানোর দাবীতে আওয়াজ করি।

Nurul Azim Rony‘র  ফেইসবুক থেকে।

Leave a Reply

ক্যালেন্ডার এবং আর্কাইভ

%d bloggers like this: